Posts

Showing posts from March, 2021

মাই হার্ট উইল গাে অন এই গানটির গীতিকার কে

Image
টাইটানিক সিনেমা দেখেননি — এমন মানুষ কমই আছেন । একই সঙ্গে অ্যাভভেঞ্চার এবং রােমান্সের এই সিনেমাটি মুক্তির পরপরই বিশ্বজুড়ে আলােচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে । এত বছর পর এখনও এই সিনেমাটি দেখে সিনেমাপ্রেমীরা বিনােদিত হন । সিনেমার গানগুলােও ব্যাপক সমাদৃত হয় এবং কয়েকটি গান এখনও মানুষের মুখে মুখে ফেরে । এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মাই হার্ট উইল গাে অন ' । গানটির শিল্পী সেলিন ডিওনের আজ জন্মদিন ।  বিখ্যাত এই গানটির গীতিকার কে ?    উওর- উইল জেনিংস

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২১ উদ্বোধন করা হয় কবে

প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে অমর একুশে গ্রন্থমেলা অনুষ্ঠিত হয় । তবে করােনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ২০২১ সালে একুশে গ্রন্থমেলা স্থগিত করা হয় । যদিও প্রথমে উন্মুক্ত স্থানে গ্রন্থমেলার আয়ােজন না করে ভার্চুয়াল বা অনলাইনে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলা একাডেমি । কিন্তু প্রকাশকদের বিরােধিতায় তা বাতিল করে পরবর্তী সময়ে সােহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে গ্রন্থমেলার আয়ােজন করা হয় । অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২১ উদ্বোধন করা হয় কবে ?  উওর - ১৮ ই মার্চ ২০২১

অসীম সাহসী এ মুক্তিযােদ্ধার মায়ের নাম কী

উওর - জাহানারা ইমাম । খুব তরুণ বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন শাফী ইমাম রুমী । পড়াশােনায় বরাবরের মতােই দুর্দান্ত শাফী যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় ইনস্টিটিউট অব টেকনােলজিতে ( IIT ) ভর্তি হয়েছিলেন । ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে সেখানে তাঁর ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল । কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ১৪ জুন তিনি মুক্তিযুদ্ধে যােগ দেন । আগরতলার কাছাকাছি খেলাঘর নামক একটি জায়গায় মুক্তিযুদ্ধের জন্য গেরিলা ট্রেনিং নেন শাফী । পরে ঢাকার কাছে সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন উড়িয়ে দেওয়া , গুলশান লেকের ঘাট থেকে শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রয়ােজনীয় অস্ত্র সরবরাহ করা , ধানমন্ডির ১৮ নম্বর এবং ৫ নম্বর সড়কে দুর্ধর্ষ গেরিলা অপারেশন করাসহ বেশকিছু অপারেশন সম্পন্ন করেন । একপর্যায়ে তার বাবা , ভাই , বন্ধু ও চাচাতাে ভাইসহ তাকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী । পরে অন্যদের ছেড়ে দিলেও শাফীকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি । আজ তাঁর জন্মদিন । অসীম সাহসী এ মুক্তিযােদ্ধার মায়ের নাম কী ?

“যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই” গানটির গীতিকার কে

“যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই” গানটির গীতিকার কে? উওর - হাসান মতিউর রহমান

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ দিতে যাওয়ার আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কথাগুলো বলেছিলেন কে

উওর -- বঙ্গমাতা  বেগম ফজিলাতুননেছা “তোমার মনে যে কথা আসবে তুমি সেই কথা বলবা, কারণ সারাজীবন সংগ্রাম তুমি করেছো, তুমি জানো কী বলতে হবে। কে কি বলল, সে কথা তোমার শোনার কোনো দরকার নেই।” ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ দিতে যাওয়ার আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কথাগুলো বলেছিলেন কে?

মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে রচিত হয় থিম সং এই গানটির গীতিকার কে

উত্তর:  কামাল চৌধুরী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেশে ও বিদেশে উদ্‌যাপিত হচ্ছে ‘মুজিববর্ষ’। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে রচিত হয় থিম সং ‘তুমি বাংলার ধ্রুবতারা/তুমি হৃদয়ের বাতিঘর/আকাশে-বাতাসে বজ্রকণ্ঠ/তোমার কণ্ঠস্বর’। এই গানটির গীতিকার কে?

সংবিধানের কততম সংশোধনীতে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত করা হয়

উত্তর: সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দিবাগত রাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। পরবর্তী সময়ে স্বাধীনতার ঘোষণাটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সংবিধানের কততম সংশোধনীতে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত করা হয়?

বেগম ফজিলাতুননেছা কোন উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন

উওর -- বঙ্গমাতা .......... .......... মহীয়সী নারী বেগম ফজিলাতুননেছা ছিলেন বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর। তিনি কেবল জাতির পিতার সহধর্মিণীই ছিলেন না, বাঙালির মুক্তিসংগ্রামেও তিনি ছিলেন অন্যতম অগ্রদূত। তিনি অসাধারণ বুদ্ধি, সাহস, মনোবল, সর্বংসহা ও দূরদর্শিতার অধিকারী ছিলেন এবং আমৃত্যু দেশ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। বেগম ফজিলাতুননেছা কোন উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন?

শেখ মুজিব আমার পিতা গ্রন্থটি প্রথম কবে কোথা থেকে প্রকাশিত হয় ? উত্তর: ১৯৯৯, কলকাতা

উত্তর: ১৯৯৯, কলকাতা শেখ মুজিব আমার পিতা ........................................ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রচিত ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ গ্রন্থটি মূলত স্মৃতিকথামূলক আত্মজৈবনিক রচনা। এ গ্রন্থে স্থান পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর জীবন এবং তাঁর পরিবারের অনেক অজানা তথ্য। রয়েছে দেশরত্ন শেখ হাসিনার লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস। গ্রন্থটি প্রথম কবে কোথা থেকে প্রকাশিত হয়?

বঙ্গবন্ধুর ৫ খুনির ফাঁসি ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি কার্যকর হয়

উওর -- ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি -------------      ---------      ---------------- বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালের ২রা অক্টোবর ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করা হয়। ১৯৯৮ সালের ৮ই নভেম্বর ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে রায় ঘোষিত হয়। এরপর দণ্ডিতরা আপিল বিভাগে আপিল করলে আপিল খারিজ করে ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে আদালত। ২০১০ সালের ২রা জানুয়ারি আসামিদের রিভিউ পিটিশন দাখিল করলে ২৭শে জানুয়ারি আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি তা খারিজ করেন। পরবর্তী সময়ে সৈয়দ ফারুক রহমান, শাহরিয়ার রশিদ খান, একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ, বজলুল হুদা, মহিউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। কবে এই পাঁচ খুনির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়?

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়

উওর -- ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালের ২রা অক্টোবর ধানমন্ডি থানায় এক মামলা দায়ের করা হয়। ১৯৯৭ সালের ১লা মার্চ ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার বিচারকার্য শুরু হয়। বিচারের দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তৎকালীন জেলা ও দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল ৭৬ পৃষ্ঠার রায় ঘোষণায় ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। কবে রায় ঘোষণা করা হয়?